অনলাইনে আছেন

  • জন ব্লগার

  • ১৯ জন ভিজিটর

ইয়া রাব! সালমান আল আওদা

লিখেছেন অদ্রি হাসান শনিবার ২০ জুন ২০২০

হে প্রভু, আমি আপনার করুণা ভিখারি 

আপনার সুবিশাল দরজায় আমি সেজদাবনত

অন্ধকারে আপনার সাহায্য চেয়ে ক্রন্দনরত।

 

ইয়া রাব, আপনি তো সেই সত্তা যিনি বালুতে পিঁপড়েকে বাঁচিয়ে রাখেন, নদীবক্ষে ছুটে চলা নুড়ির স্পন্দন শোনেন। 

 

আমার প্রথম ক্রন্দন, প্রথম ডাক ছিল তোমার পানে,

তোমার পানে ছিল আমার প্রথম অস্ফুট ধ্বনি, প্রথম আর্তনাদ।

 

আমার অস্তিত্ব, আমার মানবিকতা, আমার দুর্বলতা, আমার ভয়, আমার দুঃখ, আমার আনন্দ, এসব আমাকে তোমার দিকেই ধাবিত করে।

 

এক সন্ধ্যায় মা আমাকে গ্রহস্থালীর কাজে বনে পাঠিয়েছিলেন---

তোমার আর আমার মাঝে ছিল গাঢ় অন্ধকার,

অতঃপর আকাশটি আমার চোখের সামনে ভেসে উঠে আর ভয় জেগে ওঠে হৃদয়ের কাছাকাছি। আলোর পানে পথ ছিল প্রশস্ত।

 

যখন ফিরে আসি, মা আমার মাথায় হাত রেখে উর্ধ্বাকাশে ইংগিত করে বলেন, "হে বৎস, তাঁর পথ নিরাপদ। অতএব কখনও থেমে যেও না। "

 

আর তখন থেকে আমি তোমার পানে অবিরাম আরোহনের চেষ্টা করছি। আমি যতই উর্ধ্বে উঠছি, তোমাকে পাচ্ছি হৃদয়ের নিকটে এবং কল্পনার অতীতে।

 

মানুষজন তাদের আংগুলে তাসবিহ গুনছিল, 

সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার। বাবার পাশে বসে একজন শিশু হিসেবে আমিও তাদের অনুকরণে গণনা করি। এক, দুই, তিন থেকে একশ অবধি। 

 

বাবা আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসেন, আমি বুঝে নিই বাবার হাসির মানে, না বলা কথা। তখন থেকে আমি সতর্ক হয়ে উঠি--- আল্লাহর পথে অভিযাত্রা নিছক গণনার চেয়ে বেশি কিছু। তারা তোমার নাম জপে প্রবল ধ্বনিতে, আর আমি ভয়ে ভীত হয়ে পড়ি।

 

[প্রথম অংশ, বাকি অংশ পরে পোস্ট করব]


ইয়া রাব সালমান আল আওদা
১ টি মন্তব্য      ৩৭৭ বার পঠিত         

লেখাটি শেয়ার করতে চাইলে:

২ বছর পূর্বে

লাবিব আহসান

অপেক্ষায়......

Reply