অনলাইনে আছেন

  • জন ব্লগার

  • ৩১ জন ভিজিটর

আমিই যখন জ্বীনের রোগী ভাল করলাম! জ্বীনের সাথে সমস্যা কোথায়?

লিখেছেন Nazrul Islam Tipu সোমবার ০১ এপ্রিল ২০১৯

জ্বীন মানুষের ইচ্ছা শক্তিকে দখল করে। মানুষের মুখ দিয়ে জ্বীন কথা বলে। তখন মানুষের চোখ দিয়ে জ্বীনেরা দেখে থাকে। মানুষের কান দিয়ে জ্বীন শুনে ও উত্তর দেয়। এই লাইনের চিকিৎসকদের ধারণা, জ্বীনে আক্রান্ত ব্যক্তি কখনও হ্যাঁচ্ছো দেয় না! দিতে পারে না। যদি কোনভাবে হ্যাঁচ্ছোটা বের করা যায় তাহলে চিকিৎসা ছাড়াই জ্বীন ভূ-পৃষ্টে আছড়ে পড়বে, মারাও যেতে পারে। সে জন্য জ্বীনে ধরা রোগীর নাকে সরিষার তৈল লাগানো হয়! মরিচ পোড়া গন্ধ ঢুকানো হয়, যাতে তার শরীরে হ্যাঁচ্ছোর উদ্রেক হয়। রোগীকে জোড়ে ধমক দিলে কিংবা মৃদু পিটালেও জ্বীন আঘাত প্রাপ্ত হয়। কিছু ওঝা-বৈদ্যরা ভয়ঙ্কর চেহারা নিয়ে রোগীকে ঝাড়ু পিটা করে। এটা মোটেও উত্তম পদ্ধতি নয়। জ্বীনদের উপস্থিত জ্ঞান-বুদ্ধি মানুষের মত প্রখর নয়! তাদের কাছে মানুষের মত অত দূরদর্শিতা, মেধা ও প্রজ্ঞা নাই বললেই চলে। তাই কখনও কড়া হুমকি দিলে, জ্বীন ভড়কে যায় এবং পালাতে বাধ্য হয়!

জ্বীনে আক্রান্ত রোগীকে পিটালে, মারের ব্যথা রোগী ও জ্বীন দু'জনেই অনুভব কর। এতে অনেক সময় জ্বীন পালিয়ে যায়। জ্বীন পালিয়ে গেলে মানুষ বেহুশ হয়ে যায়। হুশ আসার পরে তিনি নিজেকে প্রশ্ন করেন আমি এখানে কেন? শরীরে এত ব্যথার কারণ কি? এমনকি তিনি জিজ্ঞাসা করেন, আমি এখানে কেন বা আপনাদের কি হয়েছে ইত্যাদি! তবে অবশ্যই মনে রাখতে হবে, নাকে তৈল লাগিয়ে, মরিচ পোড়া গন্ধ নাকে ঢুকালে জ্বীন পালাবার আগে, মানুষ মারা যেতে পারে। কেননা বুঝতে হবে একজন সুস্থ মানুষ কি পরিমাণ ঝাঁঝ সহ্য করতে পারে। তাই জ্বীন তাড়ানোর উছিলায়, মানুষের দেহে এটার প্রয়োগ হলে শারীরিক ক্ষতি হবেই। জ্বীনকে যেভাবেই তাড়ানো হোক না কেন, রোগীর উপর যাতে শারীরিক নির্যাতন না হয়, সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হয়। কেননা জ্বীন পালিয়ে গেলে, রোগীর মন সুস্থ হবার পর, তার শারীরিক নির্যাতনের ব্যথা দূর করতে তাকে আবারও ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে!

অনেক সময় মানসিক পাগল ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মানুষকে জ্বীনে ধরা পাগল মনে করে, উপরোক্ত চিকিৎসা পদ্ধতি গ্রহণ করে এবং অপ চিকিৎসায় মানুষ মারাও যেতে পারে। জ্বীন তাড়াতে সরিষার তৈল ও মরিচ পোড়া হল এক প্রকার প্রাথমিক চিকিৎসা। মরিচ, সরিষা, গোল মরিচের নাম শুনলে যদি রোগীর চিল্লানো ভাব বেড়ে যায়, তাহলে বুঝতে হবে সহজে কাজ হবে। অন্যতায় এই পদ্ধতিকে সর্বদা ব্যবহার করতে নেই। মানসিক পাগলেরা এসবকে ভয় পায়না কেননা তার স্মৃতিশক্তিতে এসবের ধারনা উপস্থিত থাকেনা। আবার কোন ধারণা একবার মাথায় বসে গেলেই কিন্তু মহাবিপদ হতে পারে। বাংলা প্রবাদেই তো আছে, “পাগলকে সাঁকো নাচানো শিখাবে না”। এই কাজ একবার শিখে গেলে, পুরো মহল্লার মানুষের জীবন অতিষ্ঠ করে তুলবে। যা’হোক এসব পাগলের জন্য প্রথমেই ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। আমার বিষয় কিন্তু জ্বীনের আছরের কারণে পাগল যারা, তাদের নিয়েই। এসব রোগী সর্বদা পাগল থাকেনা। সাধারণ জীবন যাপন করে হঠাৎ করে অভদ্র আচরণের মাধ্যমে তার প্রকাশ ঘটায়। তারপরও কোন পাগল ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধিকে উত্ত্যক্ত করতে নেই। এটা শয়তানের কাজ। এই চরিত্রের মানুষ শয়তানের সহযোগী।

জ্বীনেরা কখনও মানুষের জীবন উপলব্ধি করার জন্য, অতি কৌতূহলে কারো উপর ভর করে। সেই জ্বীন বিতাড়ন করা সহজ। কখনও মানুষের আচরণের ভুলে জ্বীন ক্ষিপ্ত হয় এবং তার উপর ভর করে। সেই জ্বীন বিতাড়ন করা একটু কঠিন। কিছু জ্বীন নালা, নর্দমা, ডোবায় বসবাস করে এরা উন্মাদ ও পাগল। দৃশ্যত এগুলোকেই ভুত ও পেত্নী বলা হয়। এ ধরনের জ্বীনকে তাড়ানো সবচেয়ে বেশী কঠিন। অব্যবহৃত কিংবা বিরান জলাধারে জ্বীনেরা বসবাস করে। এখানে মানুষ মাছ ধরতে গেলে তাদেরকে ভয় দেখায়। মানুষের উপস্থিতি জ্বীনের বসবাসের জন্য হুমকি, তাই ভয় দেখানো আশ্রয় নেয়। যেগুলোকে মেছো-ভুত বলা হয়। বহু বছরের পুরানো গাছেও তারা বসবাস করে, ঘোষণা ছাড়া এ ধরনের গাছ কেটে ফেললে তারা ক্ষিপ্ত হয়, কেননা সেই গাছেই তাদের বহু প্রজন্মের বসবাস। এসব জ্বীনকে গেছো-ভুত বলে চিত্রায়িত করা হয়। কিছু জ্বীন গর্তে বাস করে, তাই কোন অবস্থাতেই ক্ষুদ্র কিংবা বড় কোন গর্তেই প্রস্রাব করতে নেই। শুকনো গোবর ও হাড়ের উপর পাখয়ানা প্রস্রাব একেবারেই নিষেধ। এটা এদের খাদ্যের অন্যতম উপাদান।

মহিলাদের ঋতু-কালীন স্যানিটারি ন্যাপকিন যত্রতত্র ফেলতে নেই। নিষেধ, একেবারেই নিষেধ! জ্বীনদের কাছে কুকুরের খাসিয়ত আছে, এসব জিনিষ কার, সেটা গন্ধ নিয়েই বুঝতে পারে। কুমারী মেয়েদের প্রথম ঋতুকালে অভিভাবকদের অনেক সতর্ক থাকা উচিত। তারা লজ্জায় বলেনা কিংবা অসতর্কতার কারণে সন্ধ্যাকালীন যত্রতত্র ঘোরাফেরার মাধ্যমে জ্বীন আক্রান্ত হয় এবং সারাজীবন ভোগায়। ঋতুকালে জ্বীন ও শয়তান মহিলাদের সঙ্গ ছাড়ে না। রাসুল (সা) বলেছেন, ‘ঋতুকালে স্ত্রীদের কাছেও যাবেনা’। অন্যত্র বলেছেন, “এই সময়ে সহবাস করলে ভূমিষ্ঠ সন্তান হিজড়া হয়”। অন্যত্র বলেছেন, ‘এই অবস্থায় সঙ্গম করলে জ্বীন-শয়তানও একই কর্মে অংশ গ্রহণ করে’।

কোরআন হাদিস মতে জ্বীন তাড়ানোর ভিন্ন পদ্ধতি আছে। এই পদ্ধতিকে জ্বীন বেশী ভয় করে। পাহাড়ি মানুষেরা জ্বীনে আক্রান্ত মানুষকে পানিতে ভিজাতে থাকে, যাতে করে সর্দি আসে। সর্দি আসলে হ্যাচ্ছো আসবে, হ্যাচ্ছো দিলে জ্বীন পালাবে। সে হিসেবে পাগল হিসেবে চিত্রিত কোন রোগী যদি সত্যিই হ্যাচ্ছো দেয় এবং তাতেও রোগ ভাল না হয়, তাহলে বুঝতে হবে এটা অন্য রোগ। বেশীর ভাগ জ্বীনের সাথে কথা বলে, আল্লাহ ও পরকালের ভয় দেখিয়ে কিংবা ইসলামী পন্থায় বিদায় করানো যায়।

জ্বীনদের প্রতি নির্দেশ আছে যে,তারা মানুষের বসবাসের স্থলে নিজেদের জন্য আবাস বানাবে না। সাধারণত অব্যবহৃত জমি, পতিত ভূমি, বড় গাছ, জলাশয়, গর্ত, দ্বীপাঞ্চলে তারা আবাস গড়ে তুলে। নালা, নর্দমা, নোংরা স্থান, রাস্তার পার্শ্বদেশ, খালে-বিলেও তারা বসবাস করে। আমাদের চোখে পৃথিবীতে বহু জায়গা দেখা গেলেও, সংখ্যায় তারা মানুষের চেয়ে প্রায় দশগুণ বেশী। তাই তাদের জন্যও স্থানের অভাব আছে। তারা গরুর শুকনো গোবর, হাড়, জ্বলা কয়লা, মানুষের উচ্ছিষ্ট খেয়ে জীবন ধারণ করে। তাদের খাদ্যের জোগানের সাথে মানুষের জীবনাচরণ জড়িত, তাই তারা একেবারে লোকালয় ছেড়েও চলে যেতে পারে না। বহুবছর আগে থেকে তাদের বসবাস করা কোন স্থানে মানুষেরা ঘরবাড়ি তুললে, ক্ষিপ্ত হয়ে ক্ষতি করতে চায়। তাদের খাদ্যের উপরে কিংবা বাসায় মানুষ প্রস্রাব-পায়খানা করে দিলে তারা চরম ক্ষিপ্ত হয়। যশোর বেনাপোল সড়কের এগার কিলোমিটার জায়গায় কুয়েতের অর্থায়নে একটি বালিকা মাদ্রাসা গড়ে উঠে। বহু শত বছর জ্বীনেরা এই স্থানে বসবাস করছিল, সে জন্য প্রতিবাদ স্বরূপ মাদ্রাসার সকল ছাত্রীকে একযোগে পাগল করিয়ে দেয়! এটা সমাধানে তদানীন্তন ডিসি, ম্যাজিস্ট্রেট, ইউ এন ও সহ সরকারী অনেক কর্মকর্তা জড়িত হয়ে পড়ে। সারা দেশের পত্র পত্রিকায় আলোড়ন সৃষ্টি হয়। সেই ঘটনাটি পরে আলোচনা করা হবে। এই মাদ্রাসা বন্ধই করতে হয়েছিল! এসব জ্বীন তাড়ানো খুবই দুঃসাধ্য। অব্যবহৃত জমিতে কিছু করতে গেলে, সেক্ষেত্রে মানুষকে অগ্রিম ঘোষণা করতে হয় যে, এ জমি আমার, আগামী দুই মাস পরে এর সংস্কার শুরু হবে, সুতরাং কেউ থাকলে এই সময়ের মধ্যে গুটিয়ে যাও।

দীর্ঘদিন নিজেদের অব্যবহৃত ঘর জ্বীনেরা দখল নেয়। অব্যবহৃত বাড়ী দখল করে নিজেদের বলে দাবী করে এবং মানুষকে উত্যক্ত করে। রাসুল (সা) বলেছেন, সাপ, কুকুর আর উট জ্বীন প্রজাতির। এসব প্রাণীর মধ্যে এমন কিছু খাসিয়ত আছে, যা জ্বীনদের চরিত্রে পাওয়া যায়। সাপ আজীবন হিংস্র তাকে কোন অবস্থায় পোষ মানানো যায়না কিন্তু অব্যবহৃত বাড়ী, পুরাণ দালান, বিরান ভিটে সাপের খুব পছন্দ, তারা সেটার দখল নেয়। এটা জ্বীনেরও খাসিয়ত। কুকুর হিংসুটে এবং স্বগোত্রের সাথে চরম দুষমনি করে; এই কুকুরকে আবার নিজের বাড়ীতে কিংবা উঠানে কয়েকদিন থাকতে দিলে সপ্তাহান্তে সেই কুকুর উল্টো বাড়ীর মানুষদের ঘেউ-ঘেউ করে তাড়িয়ে বেড়াবে। যেন এটা তার বাড়ি! জ্বীনদের চরিত্রও একই! দীর্ঘদিন অব্যবহৃত, অবহেলায় পড়ে থাকা বাড়ী-ঘরেও জ্বীনেরা কুকুরের মত আশ্রয় নেয়, ঘুমায়, তামাশা করে। বাড়ীর মালিক আসলে তাকেও তাড়িয়ে বেড়াবে। তার স্ত্রী-সন্তানদের আছর করে ভয় লাগাবে। কুকুর কারো আসবাব পত্র যেভাবে সহজে চিনে ফেলে; বাজারের নাপিতের দোকানের হাজারো চুলের মাঝ থেকে একটি চুল কোন জ্বীনকে দিলে, সে এটার মালীক সনাক্ত করতে পারে। একটি ক্ষুত্র নখের কোণা দেখেও জ্বীনেরা বুঝতে পারে এটা কার! শত্রুরা শরীরের এসব বিচ্ছিন্ন জিনিষ দিয়ে যাদু করে মানুষকে কষ্ট দিত। দুনিয়াতে এই বৈশিষ্ট্য একমাত্র কুকুরের কাছে কিছুটা আছে। উট প্রকৃতগতভাবে অন্য প্রাণীদের চেয়ে একটু বেআকল ও সুযোগ সন্ধানী প্রাণী। জ্বীনেরাও একই ধরণের! শীতের রাতের উট, ঠাণ্ডায় আরাম পেতে, মাথাটি তাবুতে ঢুকানোর চেষ্টা করে। একবার এই সুযোগ পেলে, ইঞ্চি ইঞ্চি করে ঢুকতে ঢুকতে পুরো তাঁবুটাই সে দখলে নিয়ে নেয়! ঠিক যে ঘরের ভিতরে দোয়া-দরুদের প্রচলন নাই, সেই ঘরে জ্বীন প্রবেশ করতে থাকে, তা যত বড় ক্ষমতাশালী মানুষের হউক না কেন। শয়তান সেখানে আশ্রয় গ্রহণ করে। তাদের আয়-রুজি থেকে খায়, তাদের সাথে থাকে, তাদের বিছানাতেই ঘুমায় এবং তাদের উপার্জনে বরকত চলে যায় এবং অচিরতেই তারা কপর্দক হীনতার দিকে এগুতে থাকে। সুপ্রিয় পাঠক! এসব আমার কথা নয়। স্বয়ং মোহাম্মদ (সা) এর মুখ নিঃসৃত বানী। আমি শুধু আমার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও অধ্যয়নের আলোকে কথা গুলোকে বিশ্লেশণ করেছি মাত্র।

কলেজ জীবনে পড়ার সময়, মাদ্রাসার মসজিদে প্রায়ই মাগরিবের নামাজ আদায় করতাম। কখনও নামাজ শেষে মাদ্রাসার ছোট ছাত্রদের অদ্ভুত আচরণ করতে দেখতাম। আমি জানতাম, কেন এমনটি হয়! মাদ্রাসার পাশেই বিরাট ময়লার ড্রেন। সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজে বড়দের ভিড়ে, টয়লেটে স্থান না পেয়ে কদাচিৎ বাচ্চা বয়সের ছাত্ররা এই ড্রেনে প্রস্রাব করে দিত। বেয়াড়া, বেতমিজ ভুত তথা জ্বীন গোস্বায় সেই ছেলেটির উপর ভর করত। প্রতি সপ্তাহে কারো না উপর, এটা ঘটতে দেখতাম। মাদ্রাসায় ছিল এক বুড়ো আলেম, তিনি পান খেতে পছন্দ করতেন, তাই সর্বদা পকেটে আস্ত পান রাখতেন। কোন ছাত্র পাগলাটে আচরণ করা মাত্রই তাঁর কাছে নিয়ে আসা হত। তিনি সহসা পানের বৃন্তটি ছাত্রের কানে ঢুকিয়ে চুলকাতে থাকতেন আর সুরা ফাতিহা, ইখলাস, ফালাক ও নাস পড়তে থাকতেন। ঘটনাস্থলেই জ্বীন চিল্লায়ে জান ছেড়ে পালাতেন! তবে বেয়াড়া জ্বীনও নাছোড় বান্দা! সেও বারবার কাউকে না কাউকে বিরক্ত না করে থাকতে পারতেন না!

আবদুল কাদেরের বিদ্যা বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে আমি এই বিদ্যাকে যথেষ্ট আত্মস্থ করতে পেরেছিলাম। একদা মুসিবতে পড়ে, কয়েক বন্ধুর অনুরোধে, এক সম্ভান্ত ধনী ব্যক্তির স্ত্রী থেকে তেঁদড় জ্বীনকে ঝেঁটায়ে বিদায় করেছিলাম। এই ঘটনা আমাকে ব্যাপক পরিচিত করে তুলে। পরবর্তীতে এই ঘটনা আমাকে বিব্রতকর খ্যাতি জুটিয়ে দেয়। গ্রামে শোর উঠে, জ্বীনদের থেকে বিদ্যা শিক্ষা অর্জন করে, আমি নিজেও একজন ‘বালক বৈদ্য তথা বালক পীরে' পরিণত হয়েছি। নিশ্চিত হলাম, আবদুল কাদেরের বিদ্যা বুদ্ধি একেবারেই বিফলে যায় নি। কলেজ জীবনে একদা আবদুল কাদেরের খবর নিয়ে জানতে পারি, তিনি পরিবার পরিজন নিয়ে সদলবলে নিরুদ্দেশ হয়েছেন বহু বছর আগেই।


জ্বিন
০ টি মন্তব্য      ১৩৪২ বার পঠিত         

লেখাটি শেয়ার করতে চাইলে: