অনলাইনে আছেন

  • জন ব্লগার

  • ৩৪ জন ভিজিটর

ক্রুসেডের মোকাবেলায় প্রস্তুতি গ্রহনের সময় সন্নিকটে

লিখেছেন Apu Ahmed সোমবার ১৮ মার্চ ২০১৯

খুব সম্ভবত সারা পৃথিবী জুড়ে মুসলিম বিদ্বেষী গ্রুপগুলো সক্রিয় হয়ে যাবে। নিউজল্যান্ডের নির্মম ঘটনায় তারা পৈশাচিক আনন্দ উপভোগ করে টুইট করছে এবং নিজেদের সমমনা গ্রুপগুলোকে উস্কে দিচ্ছে। এসব কারনেই অন্যান্য দেশেও ছোটখাটো ঘটনা ঘটছে। যে কোন সময় বড় কোন দুর্ঘটনার খবর পেতে পারেন। দেখা যাবে দুনিয়া জুড়ে মুসলিম নিধন পুন্যের কাজ বলে বিবেচিত হতে শুরু করবে এবং লেকেরা পঙ্গপালের মতো মুসলিমদের দিকে ধেয়ে আসতে শুরু করবে। বিষয়টি নিয়ে রাসুল (স) বহু আগেই সতর্ক করেছিলেন। আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা, তিনি বলেন-

““শীঘ্রই মানুষ তোমাদেরকে আক্রমণ করার জন্য আহবান করতে থাকবে, যেভাবে মানুষ তাদের সাথে খাবার খাওয়ার জন্য একে অন্যকে আহবান করে”। জিজ্ঞেস করা হলোঃ তখন কি আমরা সংখ্যায় কম হবো? তিনি বললেনঃ “না, বরং তোমরা সংখ্যায় হবে অগণিত। কিন্তু তোমরা সমুদ্রের ফেনার মতো হবে, যাকে সহজেই সামুদ্রিক স্রোত বয়ে নিয়ে যায় এবং আল্লাহ তোমাদের শত্রুর অন্তর থেকে তোমাদের ভয় দূর করে দিবেন এবং তোমাদের অন্তরে আল ওয়াহান ঢুকিয়ে দিবেন”। জিজ্ঞেস করা হলোঃ হে আল্লাহর রাসূল, আল ওয়াহান কি? তিনি বললেনঃ “দুনিয়ার প্রতি ভালোবাসা এবং ক্বিতালকে (যুদ্ধকে) অপছন্দ করা”। [মুসনাদে আহমদ]

এরকম পরিস্থিতি কেন হবে তার বিবরনও হাদিসে রয়েছে। তিনি বলেন-
““যখন তোমরা ঈনা জাতীয় সুদী পদ্ধতিতে লেনদেন করবে, গরুর লেজ আঁকড়ে ধরবে, কৃষিকাজেই সন্তুষ্ট থাকবে এবং জিহাদ ছেড়ে দিবে তখন আল্লাহ তোমাদের উপর লাঞ্ছনা ও অপমান চাপিয়ে দিবেন। তোমরা তোমাদের দ্বীনে ফিরে না আসা পর্যন্ত আল্লাহ তোমাদেরকে এই অপমান থেকে মুক্তি দিবেন না”। [সুনানে আবু দাউদ, অধ্যায়ঃ ইজারা, হাদিস নং ৩৪৬২]” এছাড়াও সমাজের ফাসেক ফাজের কে নেতৃত্বের আসনে বসানো, নিজেদের মধ্যকার আহলে ইলমের কদর না করা সহ বহু কারনে মুসলিমরা আজকে নেতৃত্ব শুন্য, ক্ষমতাশুন্য।

অন্যান্য হাদিস সমূহ থেকে প্রমানিত বর্ণনার ভিত্তিতে বলা যায় এগুলো কেয়ামতের আলামত সমূহের অন্যতম। এ হিসেবে আমরা ধরে নিতে পারি আগামীর পৃথিবীর ইসলামের গৌরবোজ্জল খেলাফতের স্বাধ পেতে যাচ্ছে। সময় খুব দ্রুত আমাদের সেদিকে নিয়ে যাচ্ছে। আলেম ওলামাদের উচিত মানুষদেরকে জিহাদ, কিতাল এবং শাহাদাতের তামান্নার ওপরে দন্ডায়মান করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা। 

ওলামা হযরতগণ নামাজ, কালাম জিকির আসগারকে ইসলাম বানিয়ে, ক্বামিয়াবীর সিড়ি বানিয়ে প্রচার করেছেন বলেই এখন মসজিদ সমূহে তরুন, বয়োবৃদ্ধ লোকদের ভীর লেগেছে। এখন সময় এসেছে ঠিক তেমনি করে কুফরের বিরুদ্ধে, নিজেদের বলয়ে মুনাফেকদের বিরুদ্ধে সম্মলিত কিত্বালের প্রস্তুতি গ্রহনের আহ্বান জানানোর জন্য। যাতে মানুষরা নিজেদের ইজ্জত উদ্ধারে, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য শত্রুর অন্তরে ভীতি ছড়াতে পারে। এ জন্য মুসলিম বিশ্বের প্রতিটি দেশে আল্লাহ ভীরু নেতৃত্ব তৈরির দিকে মনোযোগী হওয়ার জন্য ওলামাদের প্রস্তুতি, প্রচারনার কোন বিকল্প নেই। আল্লাহ পাক সবাইকে তৌফিক এনায়েত করুন।


ক্রুসেড
০ টি মন্তব্য      ৫৫৫ বার পঠিত         

লেখাটি শেয়ার করতে চাইলে: