অনলাইনে আছেন

  • জন ব্লগার

  • ২৩ জন ভিজিটর

বাবরি মসজিদ নিয়ে ষড়যন্ত্রের টাইমলাইন

লিখেছেন আফগানী শনিবার ০৯ নভেম্বর ২০১৯

ষড়যন্ত্র শুরু হয় ইংরেজ আমলে। সেই ১৮৮৫ সাল থেকে শুরু। বাবরি মসজিদের সামনে উগ্রবাদী হিন্দুরা একটি চাঁদোয়া টানাতে চায়। সেই দিয়ে শুরু করে এখন মসজিদ দখল করেছে।

 

আজ উপমহাদেশের বহু আলোচত বাবরি মসজিদ মামলা বা অযোধ্যা মামলার রায় ঘোষণা করে নিজের কলংকিত করলো ভারত। 

 

বাবরি মসজিদ নিয়ে ষড়যন্ত্র যেভাবে শুরু হয় তার টাইমলাইন দেখুন

 

১৫২৮- মুঘল সম্রাট বাবরের সেনাপতি মীর বাকি বাবরি মসজিদ তৈরি করলেন।

 

১৮৮৫- ইংরেজ আমলে ফৈজাবাদ জেলা আদালতে বাবরি মসজিদের বাইরে চাঁদোয় টাঙানোর আবেদন জানালেন মহান্ত রঘুবর দাস। আদালতে আবেদন নাকচ হয়ে যায়।

 

১৯৪৯- এই ঘটনার প্রায় পঁয়ষট্টি বছর পর ভারত যখন স্বাধীন হয় তখন উগ্রবাদী হিন্দুরা মসজিদের মূল গম্বুজের মধ্যে নিয়ে আসে রামের মূর্তি।

 

১৯৫০- রামলালার মূর্তিগুলির পূজার অধিকারের আবেদন জানিয়ে ফৈজাবাদ জেলা আদালতে আবেদন করলেন গোপাল শিমলা বিশারদ।

 

১৯৫০- মূর্তি রেখে দেওয়ার এবং পূজা চালিয়ে যাওয়ার জন্য মামলা করলেন পরমহংস রামচন্দ্র দাস।

 

১৯৫৯- ওই স্থানের অধিকার চেয়ে মামলা করল নির্মোহী আখড়া।

 

১৯৬১- একই দাবি জানিয়ে মামলা করল সুন্নি সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ড।

 

১৯৮৬- স্থানীয় আদালত সরকারকে নির্দেশ দেয়, হিন্দু তীর্থযাত্রীদের বাবরি মসজিদে প্রবেশাধিকার দিতে। সে সময়ে রাজীব গান্ধী ছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

 

১৯৮৯- এলাহাবাদ হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, বিতর্কিত স্থানে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে হবে।

 

১৯৯০- বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদবানি গুজরাটের সোমনাথ থেকে রথযাত্রা শুরু করেন বাবরি মসজিদের উদ্দেশ্যে।

 

১৯৯২- হিন্দু জঙ্গি গোষ্ঠী বাবরি মসজিদ গুঁড়িয়ে দেয়।

 

১৯৯৩- অযোধ্যার জমি অধিগ্রহণ করার জন্য বিতর্কিত এলাকার অধিগ্রহণ আইন পাস হয়। এলাহাবাদ হাইকোর্টে এই আইনের বিভিন্ন বিষয়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রিট পিটিশন জমা পড়ে। সংবিধানের ১৩৯ এ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে ওই রিট পিটিশন বদলি করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট, যা এখনও হাইকোর্টে বিচারাধীন।

 

১৯৯৪- ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বিতর্কিত রায়ে জানায়, এখানে মসজিদের অধিকার নেই।

 

২০০২- বাবরি মসজিদের জমির মালিকানা নিয়ে হাইকোর্টে শুনানি শুরু হয়।

 

২০০৩- সুপ্রিম কোর্ট জানায়, অধিগৃহীত জমিতে কোনও রকমের ধর্মীয় কার্যকলাপ চলবে না।

 

২০১০- হাইকোর্ট রায় দেয়, বিতর্কিত জমি সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড, নির্মোহী আখড়া এবং রামলালার মধ্যে সমবণ্টন করে দেওয়া হোক। এই রায়ে তিন বিচারপতি সহমত পোষণ করেননি। ২-১ ভিত্তিতে রায়দান হয়।

 

২০১১- অযোধ্যা জমি বিতর্কে হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ ঘোষণা করে সুপ্রিম কোর্ট।

 

২০১৬- বিতর্কিত স্থানে রাম মন্দির তৈরির অনুমতি চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন সুব্রহ্মণ্যম স্বামী।

 

২০১৭- প্রধান বিচারপতি জেএস খেহর যুযুধান পক্ষগুলিকে আদালতের বাইরে সমঝোতার প্রস্তাব দেন।

 

২০১৯- ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ঘোষণা করেছে বাবরি মসজিদের স্থলে রাম মন্দির হবে। রামলালাকেই জমির অধিকার দিয়েছে মুশরিকদের কোর্ট।


ইসলাম ভারত
০ টি মন্তব্য      ২৫৩ বার পঠিত         

লেখাটি শেয়ার করতে চাইলে: