অনলাইনে আছেন

  • জন ব্লগার

  • ১৫ জন ভিজিটর

নোটিশ বোর্ড

বাংলাদেশে মোসাদ...

লিখেছেন আফগানী ২০২২-০৫-২৬ ২২:৩৫:০৯

  ঢাকা বিমানবন্দর। নভেম্বর ২০০৩। একটি বিমান ছেড়ে যাবে ব্যাংককের উদ্দেশ্যে। সব কিছু ঠিকঠাক। এর মধ্যে বিমানে ঘটাঘট উঠে পড়লেন সিকিউরিটি অফিসাররা। ইনকিলাব পত্রিকার এক সাংবাদিক সালাউদ্দিন শোয়েব চৌধুরিকে তল্লাশি করা শুরু করলেন। তারপর নিশ্চিত হয়ে তাকে নিয়ে নেমে গেলেন বিমান থেকে। ইনকিলাব পত্রিকা এদেশের হুজুরবান্ধব পত্রিকা। এই পত্রিকার সাংবাদিক ছিলেন সালাউদ্দিন শোয়েব চৌধুরি।    গোয়েন্দা তথ্য পেয়ে ডিবি তাকে এরেস্ট করে। পরে তার কাছে তল্লাশি করে সে তথ্যের সত্যতা পায়। শোয়েব চৌধুরির কাছে ত...বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ৩২২ বার পঠিত         
সকল পোস্ট (ক্রমানুসারে)

যেমন ছিল কাদেসিয়ার ভয়াবহ যুদ্ধ

লিখেছেন আফগানী ২০২২-০৫-২৩ ২২:১২:৫৩

  যুদ্ধ শুরুর আগে মুশরিক সেনাপতি ফররুখজাদ রুস্তমের সাথে মুসলিমদের দীর্ঘ আলোচনা হয়। এই আলোচনার জন্য মুসলিমরা রুস্তমকে তিনদিনের সময় দেয়। তিনিদিন পার হলে উভয়পক্ষ যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হয়। যুদ্ধের ১ম দিন মুসলিম সেনাপতি সা'দ রা. মুসলিম সেনাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। তাদের উজ্জিবীত করেন। ভাষণ শেষে তিনি সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দেন, তোমরা যেখানে আছো সেখানেই থাকো। যুহর নামাজের পর আমি তাকবির দিলে তোমরা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হবে। ২য় তাকবির দিলে তোমরাও তাকবির দিবে। ৩য় তাকবির দিলে তোমরাও তাকবির দিবে এবং অশ...বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ১২২ বার পঠিত         

কাদেসিয়া যুদ্ধের পটভূমি

লিখেছেন আফগানী ২০২২-০৫-২২ ২০:০৫:০৭

  কাদেসিয়া ইরাকের একটি শহর। ৬৩২ সালে এখানে সা'দ বিন আবি ওয়াক্কাস রা.-এর নেতৃত্বে মুসলিম বাহিনী ও রুস্তম ফররুখজাদের নেতৃত্বে মুশরিক পার্সিয়ান বাহিনীর ভয়াবহ যুদ্ধ সংঘটিত হয়। ১৩ হিজরির তথা ৬৩২ সালের মাঝামাঝিতে পার্সিয়ানরা তাদের মধ্যেকার দ্বন্দ্বের অবসান ঘটায়। তারা সবাই মিলে ইয়াজদিগার্দকে তাদের রাজা নির্বাচিত করে। ইয়াজদিগার্দও বুদ্ধিমান শাসক ছিলেন। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন তাদের অন্তঃকোন্দলের কারণে তারা সাম্রাজ্য হারিয়ে ফেলছে। তাই তিনি সকল পার্সিয়ানদের মধ্যে ঐক্য সৃষ্টির চেষ্টা করেন ও সফল হন।&n...বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ১৩২ বার পঠিত         

আচরণের ব্যাকরণ.....

লিখেছেন মু. লাবিব আহসান ২০২২-০৫-২১ ১৯:২৫:৫৭

একবার উত্তরার একটি রিসোর্টে বাংলাদেশের ইসলামী অঙ্গনের খুব স্বনামধন্য এবং বহুলপরিচিত একজন মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলো আমার। বলাই বাহুল্য, তাঁর প্রতি ছিল আমার সীমাহীন আগ্রহ। তাঁর লেখা এবং বক্তৃতার আমি ছিলাম এক বিমুগ্ধ ভক্ত। প্রায় এক যুগ ধরে যাঁকে বিভিন্নভাবে ফলো করে আসছি, যাঁর কাজগুলোর দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছি, অবচেতনে যাঁর মতো হবার স্বপ্ন বুনেছি, তাঁকে এভাবে সামনাসামনি দেখতে পেয়ে ভীষণ উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েছিলাম।   পৃথিবীতে খুব কম মানুষই আছেন, যারা একইসঙ্গে ভালো লেখালেখি এবং ভালো বক্তৃ...বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ১১৩ বার পঠিত         

গণকমিশন, শ্বেতপত্র ও আগামীর ইসলামী রাজনীতি.....

লিখেছেন মু. লাবিব আহসান ২০২২-০৫-২১ ১৯:২২:২০

গণকমিশনের শ্বেতপত্র ইস্যুটি ঐক্যবদ্ধ হবার একটি বিরাট সুযোগের সামনে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের ইসলামী অঙ্গনকে। ইসলাম বিদ্বেষী শিবির নিজেদের অজান্তেই আত্মঘাতি গোল খাওয়ার পরিবেশ তৈরি করে ফেলেছে। এখন দেখার বিষয়- ইসলামী শিবির বল প্রতিপক্ষের জালে জড়াতে কতটা সফল এবং দূরদর্শী রাজনীতির সাক্ষর রাখতে পারে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক সত্যটি হলো- অতীতে এমন সুযোগ বহুবার হাতছাড়া করেছে ইসলামী মহল। শ্বেতপত্রটির ১১৬ জন আলেমের নামগুলোর দিকে তাকালে আমাদের বহু বছরের শত সাধনার একটি কল্পিত ছবি প্রতীকী তাৎপর্য নি...বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ৭৭ বার পঠিত         

দিন বদলের পদধ্বনি......

লিখেছেন মু. লাবিব আহসান ২০২২-০৫-২১ ১৯:১২:৩১

হুদাইবিয়ার সন্ধি চুক্তি সাক্ষরিত হওয়ার কিছুদিন পরই আবু জান্দাল মক্কা থেকে পালিয়ে মদিনায় চলে এলেন। তাঁর সারা শরীরে ভয়াবহ নির্যাতনের চিহ্ন। মুসলিমরা কুরাইশদের এহেন নিষ্ঠুরতা দেখে শিউরে উঠলেন। তাদের মনে জমা হলো লোহিতসাগরসম ঘৃণা। আবু জান্দালের শরীরের এই নির্যাতনের চিহ্নগুলো যেন মক্কায় আটকে পড়া অসংখ্য মজলুম মুসলমানদেরই প্রতিনিধিত্ব করছিল।   কিছু সময় বাদেই মদিনায় এসে উপস্থিত হলো কুরাইশদের প্রতিনিধিরা। তারা নবিজির কাছে হুদাইবিয়ার সন্ধি অনুযায়ী আবু জান্দালকে মক্কায় ফেরত পাঠানোর জন্য আবে...বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ৫৩ বার পঠিত         

মানুষের জীবনে বিপদ আসে কেন...?

লিখেছেন কহেন কবি ২০২২-০৫-১৮ ১২:০৭:১৩

  জানেন তো? আমরা মুসলমানরা ওহুদের যুদ্ধে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিলাম, আমরা ভয়াবহ বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছিলাম। আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা লক্ষ্য করলেন— এমনকি মুসলমানদের মধ্যেও এটা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেওয়া শুরু করল।"কেন আমাদের এমন বিপর্যয় ঘটলো? আমাদেরকে কেন এই অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হলো? আমাদের সাথে এসেছেন আল্লাহর রাসূল (স)। তাঁর সাথে আমরা সকল বিশ্বাসীরা এতো ত্যাগ-কুরবানি স্বীকার করলাম। কিভাবে আমাদের প্রতি এমন বিপর্যয় নেমে আসতে পারে?"আল্লাহ বলেন— وَ تِلۡکَ الۡاَیَّامُ نُدَاوِل...বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ১০১ বার পঠিত         

নামাজে মনোযোগী হওয়ার উপায়...

লিখেছেন জিবরান ২০২২-০৫-১৬ ১৫:১৮:১৬

  নামাজ ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। আল্লাহতায়ালা আমাদের ওপর পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করেছেন। তাই আমরা যতো ব্যস্তই থাকি না কেনো, দিনে-রাতে পাঁচবার আল্লাহ দরবারে হাজিরা দেওয়ার জন্য আমাদেরকে অবশ্যই সময় বের করতে হবে। একজন মুসলিম এবং কাফেরের মধ্যকার প্রধান পার্থক্য হচ্ছে নামাজ। আব্দুল্লাহ ইবনে শাকিক (রহ.) বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীরা (রা.) নামাজ ছাড়া অন্য কোনো আমল ছেড়ে দেওয়াকে কুফুরি মনে করতেন না। (তিরমিজি: ২৬২২) নিচে নিয়মিত নামাজ আদায় ক...বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ১৪৯ বার পঠিত         

একজন সফল প্রত্যাবর্তনকারীর গল্প...

লিখেছেন কহেন কবি ২০২২-০৫-১৫ ১৭:১৭:১৬

  তরবারি নয় বরং বণিকদের হাত ধরে ইসলাম প্রচার কথা যদি বলা হয় তাহলে সবার আগে চলে আসে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কথা। বহুকাল ধরে আরব ও পরে গুজরাট বণিকদের মাধ্যমে ইসলামের সুমহান বাণী ছড়িয়েছে এই অঞ্চলে।বণিকদের নির্মল ব্যাবহার, চারিত্রিক মাধুর্যতা ও ব্যাবসায়িক সততা যেসব অঞ্চলের মানুষকে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ করেছে তার মধ্যে মালাক্কা ছিল সবার চেয়ে এগিয়ে। এবং এখানেই পঞ্চদশ শতাব্দীর প্রারম্ভে মুসলিম বণিকদের প্রচেষ্টায় দক্ষিণ- পূর্ব এশিয়ার প্রথম শক্তিশালী মুসলিম রাষ্ট্র হিসেবে মালাক্কার পত্তন ঘটে। আজকের এই প...বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ৬৯ বার পঠিত         

মহাজীবনের কথা....

লিখেছেন মু. লাবিব আহসান ২০২২-০৫-১৪ ১৯:৪৩:০৮

ইমাম গাজ্জালী, ইবনে তাইমিয়াদের সবচেয়ে বড় কৃতিত্বটা সম্ভবত এখানেই- মৃত্যুর প্রায় হাজার বছর পরে এসেও তাঁরা তুমুলভাবে আলোচিত হচ্ছেন। এই একবিংশ শতাব্দীতেও কেউ ইসলামের মৌলিক নীতিমালাগুলো নিয়ে আলাপ তুলতে গেলে তাঁদের নাম পাশ কাটিয়ে যাবার সুযোগ নেই। তাঁদের চিন্তা, তাঁদের স্কুলিং দেশ-কালের সীমানা পেরিয়ে ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বময়, মহাকাল থেকে মহাকালে।    আমি মাঝে মাঝে ভেবে বিস্মিত হয়ে পড়ি- মাত্র ৫০/৬০ বছরের জীবদ্দশায় এই মানুষগুলো কী করে এতো কাজ করে যেতে পারলেন! জ্ঞানের এতো এতো দিকে কী করে ভূমিকা রাখ...বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ৬৮ বার পঠিত         

দাওয়াতের পথে ধৈর্য ও সংযম...

লিখেছেন জিবরান ২০২২-০৫-১৪ ১৫:৪২:০২

আল্লাহর পথে মানুষকে আহ্বানের পথ বড়ই বন্ধুর। এ পথে বিপদ-আপদের কমতি নেই। আল্লাহর একান্ত অনুগ্রহ না থাকলে এ পথে টিকে থাকা মুশকিল। কারণ দাঈর কাজ হলো মানুষকে প্রবৃত্তির দাসত্ব, বর্ণবৈষম্য ও ঐতিহ্য-আভিজাত্য থেকে মুক্ত হয়ে আল্লাহর আনুগত্যে নিজেকে সঁপে দেওয়ার আহ্বান জানানো। তবে মানুষ ধন-ঐশ্বর্য্য, গৌরব, ক্ষমতার দম্ভ এবং পূর্বপুরুষের উত্তরাধিকারের মায়া ত্যাগ করতে পারে না। তারা আল্লাহর পথে আহ্বানকারীকে শত্রু ভেবে বসে এবং তাদের প্রতিরোধের চেষ্টা করে।এমন পরিস্থিতিতে ইমানের পথে অবিচল থাকা এবং সর্বোচ্চ ধৈর...বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ১১৬ বার পঠিত         

 নিউজ আপডেট

 এ সপ্তাহের সর্বাধিক মন্তব্যকৃত পোস্ট

 আর্কাইভ